অন্যান্য

তেঁতুলের যত গুণ

তেঁতুলের নাম শুনলেই জিভে জল চলে আসে না এমন মানুষ খুব একটা খুঁজে পাওয়া যাবে না। টকজাতীয় ফল হিসেবে পরিচিত হলেও তেঁতুলে রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ। তেতুলের আদিস্থান সুদান বা দক্ষিণ আফ্রিকায়। বাংলাদেশের কমবেশী সব জায়গাতেই তেঁতুলের দেখা মেলে।

চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক তেঁতুলের নানাবিধ স্বাস্থ্য উপকারিতার বিষয়ে-

১.তেঁতুল একটি ফ্যাট ফ্রি খাবার। এতে উচ্চ মাত্রায় ফাইবারও আছে। গবেষণায় প্রমাণিত রোজ তেঁতুল খেলে ওজন কমে। তেঁতুলে থাকা hydroxycitric acid ক্ষুধা কমিয়ে দেয়। ফলে ওজন কমে।

২.তেঁতুলের বীজ ডায়াবেটিক রোগীদের পক্ষে উপকারী। তেঁতুল বীজে এমন একধরনের এনজাইমের দেখা মেলে যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে।

৩.পেট ব্যথা বা কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা থেকে সমাধানে তেঁতুল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। তেঁতুল টারটারিক অ্যাসিড, ম্যালিক অ্যাসিড ও পটাশিয়ামের উৎস যা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। আয়ুর্বেদ শাস্ত্র অনুসারে তেঁতুল পাতা ডায়েরিয়ার সমস্যায় ভীষণ কাজ দেয়। এছাড়া তেঁতুল গাছের ছাল এবং শিকড় পেট ব্যথার মোক্ষম ওষুধ।

৪.তেঁতুল একাধিক ভিটামিন ও মিনারেলের ভাণ্ডার। ব্লাড প্রেসার, রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখতেই কাজে লাগানো যেতে পারে তেঁতুলকে।

৫.তেঁতুলে উচ্চ পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আছে যা ত্বকের পক্ষে ভীষণ উপকারী। কিডনি ফেইলিয়র এবং ক্যান্সার রোধেও তেঁতুলের ভূমিকা আছে। তেঁতুল গাছের পাতা এবং ছালের অ্যান্টি সেপটিক এবং অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়ালের গুণের জন্য ক্ষত সারাতে কাজে লাগানো হয়।

৬.ব্রণ-অ্যাকনেতেও উপকারী তেঁতুল। মরা কোষ তুলতে ও ত্বককে উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে তেঁতুল। এছাড়া গবেষণায় দাবি করা হয়, তেঁতুল সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করে।

৭.রক্তস্বপ্লতার সমস্যাতেও উপকারী তেঁতুল। এতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় আয়রন, যা অ্যানিমিয়া নিরাময়ে কাজ দেয়। এছাড়া প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকায় তেঁতুল খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button