হরিণাকুন্ডুতে ভাংছে খাল, ঝুঁকিতে রাস্তা বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান

কামরুজ্জামান লিটন, ঝিনাইদহের চোখঃ
ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলায় জেলা পরষিদের একটি খালে মাছ চাষ করায় দিনকে দিন দুই পাড় ভেঙ্গে রাস্তা, ঘাট, ব্রীজ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাড়িঘর হুমকীর মুখে পড়েছে।
এলাকাবাসি জরুরী ভিত্তিত্বে ভাঙ্গন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানিয়েছেন। সরেজমিন দেখা গেছে হরিণাকুন্ডু উপজেলার সাতব্রীজ থেকে খালটির উদ্ভব। খালের পাশেই রয়েছে কুলবাড়িয়া বাজার, আদর্শ আন্দুলিয়া, গাজিপুর ও বলরামপুরসহ বিভিন্ন গ্রাম। খালটি কুলবাড়িয়া বাজার থেকে ভবানীপুর হয়ে আলমডাঙ্গা ও অপর মাথা গোবরাপাড়া হয়ে নবগঙ্গায় মিশেছে।
জানাযায়, ঝিনাইদহ জেলা পরষিদ ৩ বছরের জন্য খালটি মাছ চাষের জন্য প্রায় ১০ লাখ টাকার লীজে মাছ চাষের জন্য দেওয়া হয়। মাছ চাষের পর থেকে পানির বাড়িতে দুই কুল ভেঙ্গে যাচ্ছে। কুলবাড়িয়া গ্রামের মিজান মেম্বর, তাইজাল ও কামালসহ বেশ কিছু ব্যক্তি খালটিতে মাছ চাষ করছে।
আদর্শ আন্দুলিয়া গ্রামের গোলাম কাদের রতন ও আক্তার হোসেন জানান, খালে মাছ চাষের কারণে এখন আমাদের বাড়ি ঘর ভেঙ্গে যাচ্ছে। সেই সাখে চলাচলের জন্য রাস্তাও ভেঙ্গে যাচ্ছে। বেশ কিচু ব্রীজ হুমকীর মধ্যে পড়েছে। একই এলাকার মোকাররম হোসেন বলেন, অব্যাহত খালের ভাঙ্গনে আমারসহ বেশ কিছু মানুষের বাড়ি, এলজিইডির রাস্তা, বাজার দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হুমকীর মুখে পড়েছে। তারা আসন্ন বর্ষা মৌসুম আসার আগেই দ্রুত মেরামত করার দাবী জানিয়েছেন।
বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের স্টেনোগ্রফার শফিউদ্দীন বলেন, খালটি লীজ দিয়ে সরকার রাজস্ব পাচ্ছে। মাছ চাষের কারণে যদি দুই পাড় ভাঙ্গে তাহলে কেও অভিযোগ দিলে প্যালাসাইটিং দিয়ে রক্ষা করা হবে।
তিনি বলেন, খালের প্রস্থ অনেক বড়। এর মধ্যে কারো বাড়ি বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পড়লে তার দায়িত্ব তো জেলা পরষিদ গ্রহন করবে না। তবে রাস্তা বা ব্রীজ হুমকীর মধ্যে পড়লে তার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে।