৭০ বছর বয়স, কার্ড কবে দিবিনি প্রশ্নো ঝিনাইদহের মজিবরের

শেখ ইমন, ঝিনাইদহের চোখঃ
জীবিকা নির্বাহের জন্য মানুষ বিভিন্ন কর্ম বেছে নেয় ।সংসারের দৈনন্দিন চাহিদা মেটানোর জন্য মানুষ নানা রকম পেশায় যুক্ত হয় ,আর সেই চাহিদা মেটানোর জন্যই ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার ত্রিবেনি ইউনিয়নের নিচিন্তপুর গ্রামের মজিবর ভিক্ষাকেই কর্মপথ হিসেবে বেছে নিয়েছে ।
বয়স (৭০)সত্তর বছর পার হয়ে গেলেও সংসারের তেমন উন্নতি করতে পারেনি মজিবর ।দুই ছেলে ও চার কন্যার বাবা তিনি ।চার মেয়ে ও দুই ছেলের বিয়ে হয়ে গেছে ।বড় ছেলে মাঠে কাজ করে এবং ছোট ছেলে ঢাকায় চাকরি করে ।দুই ছেলের পিতা হলেও ছেলের রোজগার করা টাকার ভাত জোটেনি তার কপালে ।তার ভরণ পোষনের দায়িত্ব নেই তাদের । যার পরিপেক্ষিতে শরীরের ভার বয়তে না পারা মজিবরকে শৈলকুপা উপজেলার বাজারসহ বিভিন্ন গলিতে ভিক্ষা করতে দেখা যায় ।
এ ব্যাপারে কথা হয় মজিবরের সাথে তিনি বলেন, ছেলেদের ছোট থেকে বড় করে খুব বড় পাপ করে ফেলেছি যার ফল এখন পেতে হচ্ছে ।এই বৃদ্ধ বয়সেও নিজের মাথার ঘাম পায়ে ফেলে রোজগার করা টাকা দিয়ে সংসার চালাতে হচ্ছে ।একেই হইতো ভাগ্য বলে ।তিনি আফসোস করে বলেন, সরকার মানুষকে এত সাহায্য করে কিন্তু আমি কোন সাহায্য পেলাম না । অনেকবার গ্রামের অনেকের কাছে বৃদ্ধ ভাতার কার্ড করে দেওয়ার দাবি করেছি কিন্তু কেউ দেয়নি ।
তার দাবি একটা বৃদ্ধ ভাতার কার্ডের ।তিনি বলেন,একটা ভাতার কার্ড হলে সেই টাকা দিয়ে কোনরকমে সংসার চালাতে পারতাম ।