
ঝিনাইদহের চোখ-
সমতল জমিতে মাল্টা ও কমলা চাষ এবং চারা উৎপাদন ও বাজারজাতকরণে এবং দেশ গড়ার প্রচেষ্টায় কৃতিত্বপর্ণ অবদান রাখায় সফল কমলা চাষী রফিকুল ইসলামকে বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার এ ভূষিত করা হয়েছে।
শুক্রবার সকালে ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলায়াতনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক মহেশপুরের সফল মাল্টা ও কমলা চাষী রফিকুল ইসলামের হাতে বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কারের ক্রেষ্টটি তুলে দেন।
তিনি সফল ভাবে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার স্বরুপপুর ইউনিয়নের চাপাতলা গ্রামে সমতল জমিতে মাল্টা ও কমলা চাষ করে দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করেছেন। ৩০ বিঘা জমিতে ২০০০ টি মাল্টা,১৫০০টি দার্জিলিং কমলা ও ১০০ টি চাইনিজ কমলা গাছ লাগিয়ে শুরু করেছিলেন । বর্তমানে প্রায় ৭০ বিঘার মতো জমি চাষ করে দেশি এবং বিদেশি চারা ও ফল উৎপাদন করে থাকেন। শুধু তাই নয় রফিকুল ইসলাম এর নার্সারিতে আমাদের এলাকার বেকারদের কর্মসংস্থান সুযোগ হয়েছে।
তিনি ৪ বছরে ফল ও চারা বিক্রি করে প্রায় ৪০/৬০ লক্ষ টাকা আয় করেন। তাঁর উৎপাদিত কমলা আমদানি হ্রাস করে বৈদৈশিক মুদ্রা সাশ্রয়ে অবদান রেখে চলেছেন। মহেশপুরে সর্বপ্রথম বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরষ্কার পেলেন রোকন নার্সারি এন্ড এগ্রো ফার্ম এর প্রতিষ্ঠাতা স্বত্বাধিকারী রফিকুল ইসলাম।
তিনি মহেশপুর উপজেলার ৪ নং স্বরুপপুর ইউপির চাঁপাতলা গ্রামের আইনুদ্দীন মন্ডলের ছেলে। তিন ভাই, পাঁচ বোনের মধ্যে মেজ রফিকুল। তিনি ২১ বছর আগে থেকেই নার্সারি ব্যবসার সাথে জড়িত। বাংলাদেশের নার্সারি জগতে কমলা চাষী নামে পরিচিত চাঁপাতলা গ্রামের কৃতি সন্তান রফিকুল ইসলাম। বাংলাদেশ কৃষি অধিদপ্তর এবং কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে একাধিক বার শ্রেষ্ঠ কমলা চাষী হিসেবে সনদ প্রাপ্ত।